সামাজ সংসার

সামাজ সংসার

18 পাঠ

এ বিভাগের উদ্দেশ্য হলো মুসলমানদের পরস্পরে এবং মুসলমান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মাঝে সুস্থ সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তোলা। সর্বোপরি এমন একটি সমাজের উন্মেষ ঘটানো, যা আল্লাহ তাআলার বিধান মুতাবেক চলবে। যে সমাজের প্রতিটি মানুষ তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকবে, যার ফলে একটি সুসংহত ও সুদৃঢ়  মুসলিমসমাজ অস্তিত্বে আসবে।  

buy cialis in algodones

Here you can easly buy cialis online cheap.Here he can easly buy cheap buy cialis from an anline pharmacy. Trusted buy cialis at a discount pills.

26073cfe-478b-472b-a5d4-638083cf1798

buy cialis online

Buy cheap cialis without prescription or order generic cialis usa. Purchase cialis online canada.

নসীহত ও আমানত

নসীহত ও আমানত: নসীহত তথা কল্যাণকামিতা হলো দীনের ভিত্তি, বরং দীনের পুরোটাই হলো কল্যাণকামিতা। নসীহত হবে আল্লাহর জন্য, আল্লাহর কিতাবের জন্য, মুসলমানদের নেতা ও কর্ণধার এবং সাধারণ মুসলমানদের জন্য। অবশ্য নসীহত তথা কল্যাণকামিতার ক্ষেত্রে একজন মুসলমানকে আমানদারিরও পরিচয় দিতে হবে সমানভাবে।

5523
আত্মীয়তা-সম্পর্ক ঠিক রাখার উৎসাহ দান

আত্মীয়তা-সম্পর্ক রক্ষা করা জরুরী, তা ছিন্ন করা হারাম।আত্মীয়তা-সম্পর্ক দীনদারী ও তাকওয়া-পরহেযগারীর একটি মূল বিষয়। আর এ সম্পর্কের সাধারণ দাবি হলো আত্মীয়-স্বজনদের নসীহত করা, তাদের সৎ পরামর্শ দেওয়া, একে অন্যের কল্যাণ কামনা করা, আত্মীয়দের প্রতি সহানুভূতিশীল ও তাদের দুঃখে সমব্যথী হওয়া, এবং তাদেরকে বিপদাপদে সাহায্য করা।

4320
পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার

পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার এমন এক হক যা আল্লাহ তাআলা আল কোরআনের অনেক জায়গায় নিজের হকের সাথে সংযুক্ত করে উল্লেখ করেছেন।ইহা এমন হক, যা সবার জন্য অবশ্যই পালনীয়, যা পালন না করলে সফলতা আসে না। পিতা মাতার সাথে সদ্ব্যবহার ও তাদের অধিকার সংরক্ষণ করা ওয়াজিব। এমনকি যদি তারা অমুসলিম হন তবুও।

1655
মুসলমানের ওপর  মুসলমানের হক

ইসলাম একটি মহান ধর্ম, মানবতার মুক্তি ও কল্যাণের জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে নির্ধারিত একমাত্র জীবনাদর্শ। ইসলামে রয়েছে অধিকার ও কর্তব্যের সুন্দর সমন্বয়। সবাইকে দেয়া হয়েছে তার প্রাপ্য অধিকার। ইসলাম যেসব হক বা অধিকার দিয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো, এক মুসলমান ভাইয়ের ওপর অন্য মুসলমান ভাইয়ের হক।

4655
ব্যক্তি ও সমাজের ওপর সুদের ভয়াবহ প্রভাব

আল্লাহ তা‘আলা সুদ খাওয়া, সুদভিত্তিক লেনদেন করা হারাম করে দিয়েছেন। যারা সুদ খায় তাদের ঠিকানা জাহান্নাম বলে ঘোষণা করেছেন। সুদখোরের বিরুদ্ধে তাঁর ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হতে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। সুদখোর, সুদদাতা, সুদী লেনদেনের সাক্ষী এবং সুদী লেনদেনের চুক্তি লেখক সবার প্রতিই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লানত করেছেন। সুদ ধ্বংস করে সম্পদ, মুছে ফেলে বরকত।

8423