সামাজ সংসার

সামাজ সংসার

18 পাঠ

এ বিভাগের উদ্দেশ্য হলো মুসলমানদের পরস্পরে এবং মুসলমান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মাঝে সুস্থ সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তোলা। সর্বোপরি এমন একটি সমাজের উন্মেষ ঘটানো, যা আল্লাহ তাআলার বিধান মুতাবেক চলবে। যে সমাজের প্রতিটি মানুষ তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকবে, যার ফলে একটি সুসংহত ও সুদৃঢ়  মুসলিমসমাজ অস্তিত্বে আসবে।  

buy cialis in algodones

Here you can easly buy cialis online cheap.Here he can easly buy cheap buy cialis from an anline pharmacy. Trusted buy cialis at a discount pills.

26073cfe-478b-472b-a5d4-638083cf1798

buy cialis online

Buy cheap cialis without prescription or order generic cialis usa. Purchase cialis online canada.

মানুষের সাথে আরচণের মানদণ্ড ও বিধিমালা

মানুষের মর্যাদার প্রকৃত মাপকাঠি কী? ইসলাম তাকওয়া এবং ধর্মনিষ্ঠাকে সম্মানের মাপকাঠি হিসেবে নির্ধারণ করেছে। তার মানে হলো, যার মধ্যে তাকওয়া, আল্লাহভীতি, ধর্মপরায়ণতা আছে সে আখিরাতে যেমন সম্মানিত দুনিয়াতেও তেমনি মর্যাদাপূর্ণ। যার মধ্যে যতো বেশি তাকওয়া থাকবে সে ততো বেশি সম্মানের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবে।

3406
প্রতিবেশীর অধিকার

মানুষ হিসাবে আমাদেরকে সমাজবদ্ধ জীবন যাপন করতে হয়। আর সমাজে বসবাস করলে অবশ্যই সেখানে প্রতিবেশী থাকে। প্রতিবেশী ভালো হলে সামাজিক জীবন সুন্দর ও মধুময় হয়। এর বিপরীতে প্রতিবেশী মন্দ হলে সমস্যার কোনো শেষ থাকে না। তাই ইসলামে প্রতিবেশী নির্বাচনের প্রতি অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

2023
আত্মীয়তা-সম্পর্ক ঠিক রাখার উৎসাহ দান

আত্মীয়তা-সম্পর্ক রক্ষা করা জরুরী, তা ছিন্ন করা হারাম।আত্মীয়তা-সম্পর্ক দীনদারী ও তাকওয়া-পরহেযগারীর একটি মূল বিষয়। আর এ সম্পর্কের সাধারণ দাবি হলো আত্মীয়-স্বজনদের নসীহত করা, তাদের সৎ পরামর্শ দেওয়া, একে অন্যের কল্যাণ কামনা করা, আত্মীয়দের প্রতি সহানুভূতিশীল ও তাদের দুঃখে সমব্যথী হওয়া, এবং তাদেরকে বিপদাপদে সাহায্য করা।

4320
নসীহত ও আমানত

নসীহত ও আমানত: নসীহত তথা কল্যাণকামিতা হলো দীনের ভিত্তি, বরং দীনের পুরোটাই হলো কল্যাণকামিতা। নসীহত হবে আল্লাহর জন্য, আল্লাহর কিতাবের জন্য, মুসলমানদের নেতা ও কর্ণধার এবং সাধারণ মুসলমানদের জন্য। অবশ্য নসীহত তথা কল্যাণকামিতার ক্ষেত্রে একজন মুসলমানকে আমানদারিরও পরিচয় দিতে হবে সমানভাবে।

5523
মুসলিম নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ইসলাম

জাহেলীযুগে নারী ছিল ঘৃণা-অবজ্ঞার পাত্র। ইসলাম নারীকে অমর্যাদা-অসম্মান থেকে উদ্ধার করে সম্মান ও মর্যাদার আসনে সমাসীন করেছে। বহু ধর্মীয় দায়দায়িত্বে ইসলাম নারীকে করেছে পুরুষের সমান। পাপ-পূণ্যের ক্ষেত্রেও নারীপুরুষে নেই কোনো ভেদাভেদ। এককথায় বলতে গেলে একমাত্র ইসলামেই রয়েছে নারীরসম্প্রদায়ের প্রকৃত ও যথাযোগ্য মর্যাদা।

9262